স্টাপ রিপোটার :-
জানা গেছে যে, কমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা ১২নং আড্ডা ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড গোবিন্দপুরে এক মিথ্যা মামলা দায়ের হয়। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদল এর সাবেক যুগ্ন আহব্বায়ক, শহিদ জিয়ার আদর্শের রাজনিতিতে বিশ্বাসী, প্ররিশ্রমিক বর্তমানে আড্ডা ইউনিয়ন যুবদল নেতা,মো:শাখাওয়াত হোসাইন সহ ৮নং ওয়ার্ড ছাত্র দলের সভাপতি, আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান দিপু,সাবেক ছাত্র নেতা শাকিল,মো:শায়েদ, সাফায়েত, যুবদল নেতা মাসুদ, নজির আহম্মেদ, দেচ্চাসেবক দলের ৮নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত সহ মোট ৮জনকে আসামি করে কুমিলা জজ কোর্টে এক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
[১২ নং আড্ডা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড গোবিন্দপুর গ্রামের মামলা বাজ,মানব পাচারকারী, বর্তমানে নাশকতার (বিচারাধীন-জামিনে থাকা) মামলায়,স্বৈরাচার সরকারের আড্ডা ইউনিয়ন সহ-সভাপতি কামাল হোসেন অরুপে রড কামাল) এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলায় সে গ্রেপ্তার হয়, এবং কিছু দিন কারাবাস শেষে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করে এবং বর্তমানে তাহার সেই মামলা বিচারদিন।
মো:কামাল ওরেপে রড কামাল, তার অভিযোগে জানান যে, আসামি পক্ষ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পার্শ্ববর্তী গ্রাম ছোটতুলাগাও মহিলা কলেজ ও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢাকা থেকে শিল্পী এনে এক বৈশাখী কনসার্ট আয়োজ করবে,তারে ধারাবাহিকতায় উনার নিকট( কামাল)২০,০০০/;=বিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে, এবং টাকা না দেওয়ার তাকে আঘাত করে এবং দোকান থেকে তার অর্থ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ছিলো ভিন্ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেই এলাকায়,ওবং আশ পাশের এলাকায় যোগাযোগ করে জানা যায়, তাহার অভিযোগ সমস্পুর্ণ মিথ্যা, বাস্তবে কামাল ব্যাক্তি সার্থে এই মিথ্যা এবং প্রতারণা মূলক মামলা করেন।
সরজমিনে গিয়ে জানাজায় যায়, ছোটতুলাগাও মহিলা কলেজ কমিটি বলেন মাঠে বৈশাখী মেলা হওয়ার কথা এই প্রথম শুনলাম, অতিতেও আর এই মাঠে কখনোই বৈশাখের কোন মেলা কনসার্ট আয়োজন হয়নি। এটি তার ব্যাক্তিগত স্বার্থ হাসিলের ভক্তব্য হতে পারে। তদন্তের সার্থে আমরা সঠিক বক্তব্য মুখিক এবং লিখিত দিতে প্রস্তুত আছি।এবং মামলায় অন্য যাদের স্বাক্ষি করা হয়েছে তাদের কেউই জানেন না এই মামলায় তাদের স্বাক্ষী করা হয়েছে, তাদের বক্তব্য মিডিয়া সহ সাধারণ জনগণের কাছে রেকর্ড আছে। তার এক প্রতিবেশী শাওন বলেন এই মামলার আমি কিছুই জানিনা, উনি কেনো আমাকে এই মিথ্যা মামলায় স্বাক্ষি করলো, তবে উনাদের সাথে অনেকদিন আমাদের জমি সংক্রান্ত জামেলা থাকায় আমাকে এই মামলার সাক্ষী করে পাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে।আমাদের সাথে ঝামেলা চলার সময় সে আমার মা কে সহ হয়রানি নির্যাতন করে, তাই আমরা এই কামালের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের ও করেছিলাম।
আশপাশের দু তিন উপজেলায় রড় কামালের ১৭ বছরের প্রভাব এখনো আগের মত চলছে।এলাকার
তরুণ এবং বৃদ্ধ ওনারা বলেন, রড কামাল একজন ক্রিমিনাল টাইপের লোক, এত দিন অনেকে ভয়ে মুখ খুলতো না, তার বিরুদ্ধে গেলেই সে অন্যের সাথে ঝামেলা বাঁধিয়ে দেয়। যারা আওয়ামীগ করতোনা তারা ১৭ বছর পুকুরের মাছ পর্যন্ত ভাগে পায়নাই। কয়েক জন স্বাক্ষী এলাকা বাসিকে নিয়ে মিথ্যা সাক্ষী করার বিষয়ে কামালের কাছে জানতে চাইলে, উনি বলেন এখনি মামলা দিয়ে দিবো, বেশি বাড়াবাড়ি করবিনা এই বলে হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। সাক্ষীগণ এই মিথ্যা মামলায়, তাদের সাক্ষী করার বিষয়ে কিছুই জানেননা বলে লিখিত এবং মৌখিক অঙ্গিকার দিতে প্রস্তুত আছে। এবং এই মামলা বাজ, দালাল,কামালকে দ্রত আইনের আওতায় না আনলে এ কামালরা সমাজ, রাষ্ট, সব কিছুতেই প্রতিকূল বাধা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রের মধ্যে নাশকতা সৃষ্টি করবে। দেশব্যাপি নাশকতা সৃষ্টি লক্ষে শারাদেশের ন্যায় আড্ডা ইউনিয়ন এর সাপ্তাহিক মাসিক গোপন নাশকতার মিটিং এবং আওয়ামী লীগের গোপন সাংগঠনিক সকল মিটিং বর্তমানে এই গোবিন্দপুর কামালের ঘরে অনুষ্ঠিত হয় এবং সকল সিদ্ধান্তই এখান থেকে নেয়।
এবং সকল সিদ্ধান্তই এখান থেকে নেয়। মামলা করার আগের দিন সন্ধ্যায় সাতটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কয়েক দফায় পর পর মিটিং সংগঠিত হয়। দরবারে দালালি করতে গিয়ে পাবলিকের গণপিটুনি খেয়ে বিষয়টাকে ব্যক্তি স্বার্থ ব্যবহার করার পাশাপাশি ইউনিয়ন ব্যাপি একটা নাশকতা সৃষ্ট করার লক্ষে এই মিথ্যা বানোয়াট মামলা করা হয়। সরজমিনে তদন্ত করে জানা যায় বাস্তব ঘটনার ভিন্নতা, একেবারে ভিন্ন। এটি বিস্ময় কর এক গঠনা। জানাজায়, অভিযোগকারী মোঃ কামাল হোসেন অরফে রট কামাল সাধারণ জনগণকে ভুলভাল বুঝিয়ে মোটা অংকের সুপারি গ্রহন করে দরবার কন্টাক্ট করে নেয়।
পূর্বের ন্যায় গত ১০-৪-২৬ইং রোজ শুক্রুবার শাহারাস্তি থানা কালির বাজারের আশপাশের এলাকায় দরবারে যায়, সেখানেও বাকশালি কায়দায় দরবার করতে গেলে উপস্থিতিত জনতা তাকে দরবার থেকে আটক করে, প্রথমে জুতা পিটা করে পরে উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে এলোপাতারি পিটাইতে থাকে। তখন সে জীবনে কখনো এসব কাজ করবে না বলে, জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। আশার সময় আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ি বাজারে চিকিৎসা নেন। সয়তান কি ভালো হয়, তখলই সে মাথায় তার দুষ্টু বুদ্ধির ব্যাবহার নিয়ে কাজ শুরু করে। জানা যায় চার বছর আগে স্পেনে উন্নত জীবন এর সপ্ন দেখিয়ে, স্পেনে উন্নত জীবন গড়তে স্পানিস হতে মাত্র ১৩ লক্ষ টাকা করে যথেষ্ট এমন ভুল ভাল বুঝিয়ে টাকা কামানোর পায়তারা শুরু করে, ভুলভাল বুঝিয়ে,ভয়ভীতি দেখিয়ে আসামি পক্ষ ৮ জন সহ আরো ৩ জন- মোট এগারো জন থেকে প্রায় -মোট ৫৯,০০,০০০/ লক্ষ টাকা অগ্রিম হিসেবে গ্রহন করে।
আসামি পক্ষের জন প্রতি, এক এক জন ১৩ লক্ষ টাকা চুক্তি থেকে ৫ লক্ষ টাকা ও তার সাথে প্রসেসিং খরচ বাবদ ৫০হাজার টাকা সহ মোট ৫লক্ষ ৫০হাজার টাকা করে অগ্রিম হিসাবে ৮ জনের থেকে সর্বোমোট ৪৪,০০,০০০/=লক্ষ টাকা মো:কামাল, গ্রহন করেন। কিন্তু এই মধুর শুরের বাণি ও মিষ্টি কথা কয়েক ঘন্টার মধ্যে হয়ে গেলো চিরতার মত তিতে। সমস্যা শুরু টাকা গ্রহন করার পর ,লিখিত ডুকুমেন্ট নিয়ে। টাকা দেওয়ার পর পূর্বের কথা মত ডকুমেন্ট চাইতে গেলে, উনি হঠাৎ গরম হয়ে জান , এবং বলতে শুরু করেন, পালিয়ে যাচ্ছি নাকি? আমি দালাল নাকি? তাদের সাথে ইউরোপ যাওয়ার নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর ও ভয়ে উনাদের বা কারো কাছে কিছু বলা বা জিজ্ঞাস করার শাহস পায়নাই কেউই।
কারণ উনি কৌশলে হলে ও মামলায় জড়াবে। সেই বয়ে সপ্নের ইউরোপ টাকা সবই শেষ। দেশ থেকে ৫তারিখ স্বৈরাচার সরকার পতনের পর থেকে সমাজের উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে কয়েক দফায় তার সাথে শালিসি বৈঠক হয়।শালিসে বসলেই দিচ্ছি দিব বলে আজ পর্যন্ত এই টাকার এক কানাগড়ি পর্যন্ত দেয়নাই। জানাজায় যে, টাকা চাইলে মামলা দিয়ে পাশিয়ে দেওয়ার ভয় এবং ভিবিন্ন অশ্লীল গালিগালাজ করতে থাকে, এবং সে বলে টাকা দিমুনা কি করবি, আমি কি জিনিশ একটু পরেই বুঝতে পারবি, আর কখনো যেনো টাকা না দিতে হয় এই ব্যাবস্থাই আজ করছি, এই কথা বলে উনি বিভিন্ন ধরনের অভিনয় শুরু করে। পরে জানতে পারে টাকা না দিয়ে আসামি পক্ষের নামে কামাল মিথ্যা এবং বানোয়াট এক মামলা দায়ের করেছেন। উনার সব অপকর্মের, সহযোগীতায় থাকতো, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল মজুমদার, সহ-সভাপতি জাকির জুমদার, ছিদ্দিক, যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক,ফখরুল ইসলাম রাশেদ এবং তার ক্যাডার বাহিনি মূলত তারা একটা সঙ্ঘবদ্ধ চক্র হিসেবে কাজ করতো।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম রাশেদ, এটা সেই রাশেদ, ৮নং ওয়ার্ড এর ভিবিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ কে নির্যাতন করে, ভয় লোভ, এবং হয়রানি করে টাকা হাতিয়ে নিতো। সহজ সরল মানুষ গুলো কে ভয় ভিতি দেখাতো এবং মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করতো। সেই ভয়ে মানুষ থেকে ২ লক্ষ ৩ লক্ষ ৫ লক্ষ সহ বিভিন্ন রকম কাজে বিভিন্ন পরিমাণের শুপারি আদায় করতো। সহজ সরল মানুষগুলোকে লাভ দিবে বলে স্ট্যাম্পে সুন্দর করে লিখিয়ে কামাল মজুমদার এবং জাকির মজুমদার, শহীদ,মামুন রাশেদ সহ সাক্ষীর জায়গায় সাক্ষ্য দান করিতো। ৮ নং ওয়ার্ডে বাস্তবে গিয়ে দেখা গেছে সেই স্ট্যাম্প আছে, সেই লেখা, সেই স্বাক্ষর সব আছে, স্বাক্ষী হিসাবে কয়েকটা স্ট্যাম্পে এবং সাদা কাগজে এবং লিখিত সাদা কাগছে স্বাক্ষী হিসাবে কামাল মজুমদার, জাকির মজুমদার, মামুন, কামাল, সহ অনেকে স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। কিন্তু এত বছর চলে গেলে ও লাভ তো দূরের কথা আসল টাকাটা ও কপালে জোটেনি। এসব মানুষ এখন তাদের কষ্টের এই টাকা উদ্ধার করার জন্য লিখিত ডুকুমেন্ট নিয়ে ভিবিন্ন জনের ধারস্থ হচ্ছেন। এই টাকা ভাগাভাগি করে তারা ভোগ করতো। সাধারণ পাবলিক টাকা চাইলে দমক দিতো, মামলা
এবং সামাজিক ভাবে হয়রানি করা হতো। এমন কি ১২ নং আড্ডা ইউনিয়নের অবৈধ ধান্ধা থেকে, মাসিক চাঁদা গ্রহন করে পুলিশ ম্যানেজ করে নেশা দ্রব্য নিক্রির অনুমোদন দিতো। চাঁদা, দরবারের নামে টাকা হাতানো,এই গুলাই ছিলো ইনকামের একমাত্র রাস্তা। আর এসব কাজে সঙ্গে ব্যবহার হতো গৃহপালিত পুলিশ। তাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন অভিনয় সাজিয়ে হয়রানি করতো। তারা এক জনের জমিন অন্যজনকে টাকার বিনিময়ে পাইয়ে দিত এবং উভয় পক্ষ থেকে বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিতো। রাশেদ দিন দিন ভয়ানক হয়ে উঠার কারণে সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় তাকে এলাকা থেকে এলাকা বাসি বিতাড়িত করে দেয়।
এবং সে এলাকা থেকে এখনো পালাতক আছে। বিগত ১৭ বছর আগে মোঃ কামাল ওরপে রড কামাল আদ্রা ইউনিয়ন এর সোনাইমুড়ি ব্যবসার জন্য জন্য একটা ট্রেড লাইসেন্স নেয়,বাস্তবে ব্যাবসার নামে কন্টাক্ট ধান্ধার অফিস ছিলো। দরবার করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নামে ব্যাবসা বাস্তবে একটা ধান্দাবাজি অফিস খুলে বসলো গোবিন্দুপুরের কামাল ওরুপে রড কামাল। দীর্ঘ ১৭ বছরের কামাল আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ি মন্দুক, মাসনিগাছা এবং বরুড়া উপজেলা, আড্ডা ইউনিয়ন সহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে তার ক্ষমতা দেখিয়ে বিভিন্ন অংকের ধান্দা হাতিয়ে নিতো,বিনিময়ে এক প্রতিবেশীর সাথে অপর প্রতিবেশির ঝামেলা সৃষ্টি করে সমাধানের নামে বিশাল অংক হাতি নিত। সরকার পতনের পর আদ্রা ইউনিয়ন সোনাইমুড়ি বাজার থেকে সাধারণ জনগণ জুতো পিটা করে বাজার থেকে তাকে বের করে দেয়। বর্তমানে সে আড্ডা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড গোবিন্দপুর জগতপুর সড়কের পাশে ব্যক্তিগত জায়গায় বসবাস করতেছে এখানে এসেও হে ঘরের পাশে একটি ব্যবসায়ী ট্রেড লাইসেন্সে নিয়ে ব্যাবসার নামে অফিস খুলে বসে, এখান থেকে বিভিন্ন লোকের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তারপর দরদাম, কন্টাক্ট এর মাধ্যমে তাহার পক্ষ হয়ে দরবার, মামলা পরিচালনা করে এবং পরিচালনা করতে গিয়ে তার এবং তার চক্রের বাহিনীকে ব্যবহার করে এবং প্রতি সপ্তায় তার বসত ঘরে সন্ধ্যা সাতটার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এবং শীর্ষস্থান সন্ত্রাসী সহ গুরুত্বপূর্ণ গোপন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। তার আস পাশের প্রতিবেশিরাই তার প্রমাণ। আর কোন কাজে বাধা দিতে গেলে সে তার প্রতিবেশীদেরকে বিভিন্ন রকম মামলা দিয়ে হয়রানি করতো। এই মামলাবাজ,মানব পাচারকারীর,হাত থেকে এলাকাবাসী মুক্তি চায়। এবং ভুক্তভোগী ব্যাক্তিদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে পাওনা টাকা ক্ষতিপূরণ সহ দ্রত ফিরে পাক এই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।