নিউজ ডেক্স
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এবং আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এই মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছে।
রোববার সকালে আইআরআইবি-র বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাত বরণ করেছেন’। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার ভোরে যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে, তখন খামেনি তেহরানের একটি গোপন সুরক্ষিত স্থানে তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবারই প্রথম খামেনির মৃত্যুর দাবিটি সামনে আনেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ওই হামলায় কেবল খামেনি নন, তার প্রধান সহযোগীরাও নিহত হয়েছেন।
দীর্ঘ ৪৫ বছর ক্ষমতায় থেকে,যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শহীদ হয়েছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
আমার বয়স হয়েছে, এই যুদ্ধ আমি শুধু চেয়ারে বসে দেখছি। ইজরায়েল যদি মনে করে আমাকে হত্যা করলেই তারা বিজয়ী -এটা তাদের ভুল। এই যুদ্ধ পরিচালনা করছে ইরানের যুবকরা, তারা অপরাজিত থাকবে। আমাকে হত্যা করলেও ইরানের ক্ষতি হবে না। ইরান গুরুত্বপূর্ণ নয়,গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ইসলাম। ইরান নৈতিকতার উপর প্রতিষ্ঠিত ,কারো গোলাম নয়। ইজরাইল হামলায় শহিদ হওয়ার আগে জাতীর উদ্দেশ্যে আয়াতুল্লা আলী খামেনির কঠোর বার্তা।